শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল ফ্রান্স। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের শেষ আটের লড়াইয়ে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফরাসিরা। পুরো ম্যাচে আধিপত্য ধরে রেখে দুর্বার পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই মরক্কোর রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে ফ্রান্স। প্রথম পাঁচ মিনিটের মধ্যেই দুবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু তা রুখে দেন। ২৬তম মিনিটে ফ্রান্স পেনাল্টি পেলেও গোলবঞ্চিত থাকে। কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ফাউল করার কারণে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি, কিন্তু এমবাপ্পের দুর্বল শটটি অনায়াসেই ঠেকিয়ে দেন বুনু। ৩৬তম মিনিটে দেজিয়ে দুয়ের শটও বুনু প্রতিহত করলে গোলশূন্য অবস্থায় প্রথমার্ধ শেষ হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের মোড় ঘোরে ৬০তম মিনিটে। বক্সের বাইরে থেকে এমবাপ্পের চোখ ধাঁধানো শট জালে জড়ালে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। এর ছয় মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন উসমান দেম্বেলে। এমবাপ্পের বুদ্ধিদীপ্ত দৌড়ে দুই ডিফেন্ডার সরে গেলে ফাঁকা জায়গায় বল পেয়ে নিচু শটে গোল করেন দেম্বেলে। বুনু বলটি ধরার চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
মরক্কো পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা চালালেও ফ্রান্সের রক্ষণভাগ ভাঙতে ব্যর্থ হয়। ম্যাচ শেষে ৭৭তম মিনিটে এমবাপ্পেকে তুলে নেন কোচ। এই ম্যাচে গোল করার মাধ্যমে চলতি বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ৮-এ নিয়ে গেছেন এমবাপ্পে, যা লিওনেল মেসির সমান। বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে এটি তার ২০তম গোল। এই পরাজয়ের মাধ্যমে মরক্কোর এবারের বিশ্বকাপের রূপকথার যাত্রার ইতি ঘটল।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে এগিয় ছিল ফ্রান্স। একাধিকবার গোলের কাছাকাছিও পৌঁছে গিয়েছিল তারা, তবে গোল আসেনি প্রথমার্ধে। দুটো গোলের সবগুলোই হয়েছে শেষ ভাগে, ৬০-৬৬ মিনিটের মাঝে।





