আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেস জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের পুরো আসর জুড়ে তিনি ডান হাতের ব্যথা নিয়ে খেলেছেন। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী অস্ত্রোপচার না করার কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। শুক্রবার মার্তিনেস বলেন, তিনি এখনো প্রতিদিন ব্যথা অনুভব করছেন এবং অস্ত্রোপচার না করার ঝুঁকিটি তিনি জেনেশুনেই নিয়েছেন। তার সঙ্গে পরামর্শ করা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন যে, অস্ত্রোপচার না করালে তার পক্ষে খেলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।
গত ২০ মে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার ফাইনালের প্রস্তুতির সময় ফ্রেইবুর্গের বিপক্ষে অনুশীলনের সময় মার্তিনেসের ডান হাতের অনামিকা আঙুলে চোট লাগে। এই চোটের কারণে বিশ্বকাপের শুরুর দিকে তিনি সতীর্থদের সঙ্গে নিয়মিত অনুশীলনে অংশ নিতে পারেননি। তাকে বিশেষ ব্যবস্থায় আলাদা অনুশীলন করতে হয়েছিল। মার্তিনেস জানান, পুরো গ্রুপ পর্বে দলের সঙ্গে অনুশীলন করতে না পারাটা তার জন্য কষ্টদায়ক ছিল। তবে মিসরের ম্যাচের পর থেকে তিনি স্বাভাবিক অনুশীলন শুরু করেছেন এবং বর্তমানে ভালো অনুভব করছেন।
চোট থাকা সত্ত্বেও ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচেই একাদশে ছিলেন মার্তিনেস। গ্রুপ পর্বে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ৩-০ এবং অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে তিনি কোনো গোল হজম করেননি। মার্তিনেসের মতে, প্রথম ম্যাচের দুই দিন আগ পর্যন্ত তার মনে হচ্ছিল যেন তার একটি হাতই নেই। তবে সবার সঙ্গে আলোচনার পর তিনি বুঝেছেন যে বিষয়টি অনেকটাই মানসিক এবং এটি তার পারফরম্যান্সে কোনো প্রভাব ফেলছে না।
এর আগে ২০২২ সালের বিশ্বকাপে ফ্রান্সের বিপক্ষে ফাইনাল খেলে শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছিলেন মার্তিনেস। সেই ধারাবাহিকতায় টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে নামার অপেক্ষায় তিনি। আগামী রোববার নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আর্জেন্টিনার গোলবারের দায়িত্বে থাকবেন এই গোলরক্ষক।




