দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় প্রত্যাহারের দাবিতে মশালমিছিল ও নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। রোববার রাতে নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ১১৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭০-৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ৯ আগস্ট রাত ৯টার দিকে নবাবগঞ্জ উপজেলার বিনোদনগর পাহাড়পুর এলাকায় পাঠানগঞ্জ-ডাংশেরহাট পাকা সড়কের ওপর শিবলী সাদিকের নির্দেশে আসামিরা সমবেত হন। সেখানে তাঁরা শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় প্রত্যাহারের দাবিতে পশুকুড়াল, লোহার রড, সামুরাই, হকিস্টিক ও বাঁশের লাঠিসহ মশালমিছিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ রাত সোয়া ১০টার দিকে সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিছিলকারীরা পালানোর সময় রাজ ইসলাম ও মাসুদ রানা নামের দুজনকে আটক করা হয়। নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল কুদ্দুস জানান, আটক দুজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার দুপুরে দিনাজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন দিনাজপুর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শিবলী সাদিক, সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. জিয়াউর রহমান, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাজওয়ার মোহাম্মদ ফাহিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সায়েম সবুজ ও সানোয়ার হোসেন মণ্ডল। এ ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক আবুল বাসার এবং ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহিনুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাসেল মিয়ার নাম এজাহারে রয়েছে।
এদিকে জামায়াতের নেতারা দাবি করেছেন, তাঁদের দলের পাঁচজন সক্রিয় কর্মীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও দিনাজপুর জেলা শাখার সাবেক আমির আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, মামলার ২১ নম্বর আসামি হারুন অর রশিদ, ২২ নম্বর আসামি মো. রোকনুজ্জামান, ৯৩ নম্বর আসামি মোস্তফা কামাল নওশাদ, ২৫ নম্বর আসামি আবদুস সাত্তার ও ২৬ নম্বর আসামি রফিকুল ইসলাম জামায়াতের কর্মী। তিনি অভিযোগ করেন, আগামীতে জামায়াতের মিছিল-সমাবেশে কর্মীদের মধ্যে ভীতি ছড়াতে একটি রাজনৈতিক দলের ইন্ধনে তাঁদের আসামি করা হয়েছে।
জিয়াউর রহমান ওরফে মানিক (৫২), উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাজওয়ার মোহাম্মদ ফাহিম ওরফে নাইনটি (৩৭), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সায়েম সবুজ (৪৭), সানোয়ার হোসেন মণ্ডল (৫৮), কার্যক্রম স্বেচ্ছাসেবক লীগের নবাবগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আবুল বাসার (৩৪), নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের উপজেলা কমিটির সাবেক





