উচ্চমানের প্রোটিনের অন্যতম প্রধান উৎস হলো ডিম। প্রতিটি ডিম থেকে সাধারণত ৬ থেকে ৭ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়, তবে এটি কাঁচা, সেদ্ধ বা ভাজা—যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন, প্রোটিনের মূল পরিমাণে তেমন কোনো পার্থক্য হয় না। তবে রান্নার পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে ক্যালোরি এবং প্রোটিনের শোষণ ক্ষমতায় ভিন্নতা দেখা দেয়।
কাঁচা ডিমের ক্ষেত্রে প্রোটিনের পরিমাণ একই থাকলেও, শরীর তা সেদ্ধ ডিমের তুলনায় অর্ধেক মাত্রায় শোষণ করতে পারে। কারণ, কাঁচা অবস্থায় প্রোটিনগুলো এমন একটি গঠনে থাকে যা হজম করা শরীরের জন্য বেশ কষ্টকর। এছাড়া কাঁচা ডিম খাওয়ার মাধ্যমে সালমোনেলা সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।
অন্যদিকে, সেদ্ধ করাকে ডিম খাওয়ার অন্যতম স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাপ প্রয়োগের ফলে ডিমের প্রোটিন ভেঙে যায়, যা শরীরের জন্য হজম করা সহজ করে তোলে এবং প্রায় ৯০ শতাংশ প্রোটিন ব্যবহারযোগ্য হয়ে ওঠে। রান্নার সময় বাড়তি তেল বা মাখন প্রয়োজন হয় না বলে ক্যালোরির পরিমাণও কম থাকে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
ভাজা ডিমের ক্ষেত্রেও প্রোটিন সহজে হজমযোগ্য হয়। তবে মাখন বা তেলে ভাজার কারণে এতে ক্যালোরি ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেড়ে যায়। সামগ্রিকভাবে, প্রোটিনের হজমযোগ্যতা, নিরাপত্তা এবং পুষ্টিগুণের দিক থেকে সেদ্ধ বা আংশিক সেদ্ধ ডিম খাওয়া সবচেয়ে কার্যকর।
২০২২ সালে 'নিউট্রিয়েন্টস' জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় ডিমের প্রোটিনের স্বাস্থ্য উপকারিতা তুলে ধরা হয়েছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, ডিম শুধুমাত্র খাদ্যতালিকাগত কোলেস্টেরলের উৎস নয়, বরং এটি সহজে হজমযোগ্য প্রোটিনের একটি আদর্শ উৎস। এতে শরীরের প্রয়োজনীয় সব ধরনের অপরিহার্য অ্যামাইনো অ্যাসিড বিদ্যমান। ডিমের প্রোটিন শিশুদের উচ্চতা বৃদ্ধিতে এবং প্রাপ্তবয়স্কদের পেশী গঠনে ও বয়সের সঙ্গে সম্পর্কিত পেশীর ক্ষয় (সারকোপেনিয়া) রোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি বিশ্বব্যাপী অপুষ্টি দূরীকরণেও একটি কার্যকর খাদ্য উপাদান।
উচ্চমানের প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস হলো ডিম, যা কাঁচা, সেদ্ধ বা ভাজা—যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন, প্রতিটি ডিম থেকে প্রায় ৬-৭ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। এই সমস্ত রান্নার পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য হলো, অতিরিক্ত চর্বি এবং ক্যালোরির সঙ্গে কেবল প্রোটিনের শোষণ ক্ষমতা পরিবর্তিত হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন পদ্ধতি আপনাকে ডিম থেকে সবচে





