প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন নৌবাহিনী প্রধান

প্রকাশ:

নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ছিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার প্রথম সাক্ষাৎ। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাকে অভিনন্দন জানান এবং আন্তরিক কুশল বিনিময় করেন। দায়িত্ব পালনের জন্য নৌবাহিনী প্রধান প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তার দিকনির্দেশনা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। প্রধানমন্ত্রীও নৌবাহিনী প্রধানের সফল দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার এবং সুনীল অর্থনীতির বিকাশে নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন। তিনি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি রাষ্ট্রগঠনে নৌবাহিনীর অবদানের প্রশংসা করেন। বর্তমান সরকারের আমলে নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি নৌবাহিনীকে আরও আধুনিক, ত্রিমাত্রিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের দক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাহিনীটি ভবিষ্যতে আরও সক্ষম হয়ে উঠবে।

জবাবে নৌবাহিনী প্রধান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা শিল্পে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতির আলোকে দেশীয় প্রযুক্তির বিকাশ ও গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত শিপইয়ার্ড ও ডকইয়ার্ডে নিজস্ব সক্ষমতায় যুদ্ধজাহাজ ও অন্যান্য নৌযান নির্মাণ ও মেরামতের কার্যক্রম ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এছাড়া ‘সেন্টার ফর নেভাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টে’র মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় ও প্রতিরক্ষা শিল্পে স্বনির্ভরতা অর্জন সম্ভব হচ্ছে। নৌবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়ানো এবং সকল নৌসদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর নৌবাহিনী গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন নৌবাহিনী প্রধান।

শেয়ার করুন