২৩ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ জিয়াউল আহসানের

প্রকাশ:

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুমের ঘটনার মূল অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় শতাধিক ব্যক্তির গুম সংক্রান্ত এই মামলায় এখন শুধু যুক্তিতর্ক বা আর্গুমেন্ট উপস্থাপন বাকি রয়েছে। এর পরই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল চূড়ান্ত রায় দেবেন। বৃহস্পতিবার শুনানিকালে জিয়াউল আহসান নিজের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করে অভিযোগ করেন, কারাগার থেকে আদালতে আনার সময় পুরো প্রিজন ভ্যানে তাকে একাই আনা-নেওয়া করা হচ্ছে। তার দাবি, পথে কোনো দুর্ঘটনা ঘটিয়ে এর দায় তার ওপর চাপানোর ষড়যন্ত্র হতে পারে।

প্রসিকিউশনের প্রস্তাব ও প্রতিক্রিয়া

  • আসামিপক্ষের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রসিকিউশন জানায়, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা থাকলে ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্মে তার বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব। প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গুমের অভিযোগগুলো তথ্য-প্রমাণে রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে এবং ভার্চ্যুয়াল শুনানিতে তাদের আপত্তি নেই।
  • জিয়াউল আহসানের বোন নাজনীন নাহার ও আইনজীবীরা এই পরিবহন ব্যবস্থাকে ষড়যন্ত্রের অংশ দাবি করে বলেন, তাকে একা প্রিজন ভ্যানে আনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এতে নাশকতার ঝুঁকি রয়েছে।

পূর্বে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জিয়াউল আহসানকে আদালতে আনার সময় বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হাতকড়া পরিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হতো। তবে সম্প্রতি তাকে একা প্রিজন ভ্যানে পরিবহনের বিষয়টি নতুন জটিলতার জন্ম দিয়েছে। অন্যদিকে, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর আইনজীবীরা তাকে সিএমএইচে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছেন। এই আবেদনের শুনানির জন্য আগামী ১৩ই অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল-২।

শেয়ার করুন