চট্টগ্রামে এস আলমের ১১ কারখানা বন্ধ ঘোষণা

প্রকাশ:

চট্টগ্রাম ভিত্তিক শিল্প গ্রুপ এস আলমের মালিকানাধীন ১১টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শুক্রবার রাত পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে এসব কারখানার নোটিশ বোর্ডে বন্ধের ঘোষণা সম্বলিত নোটিশ টাঙিয়ে দেওয়া হয়। ১ আগস্ট থেকে কারখানাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এস আলম গ্রুপের এই কারখানাগুলো মূলত চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে আনোয়ারা ও কর্ণফুলী শিল্প এলাকায় অবস্থিত।

কারখানা বন্ধের ফলে প্রায় ৬ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। নোটিশে জানানো হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের পাওনা পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করা হবে। যেসব শ্রমিক বর্তমানে কোম্পানির বেতন তালিকায় রয়েছেন, তাদের সব বকেয়া ও আইনানুগ পাওনা আগামী ৬ আগস্টের মধ্যে পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। শ্রমিকরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার কাজ শেষে ফেরার পর তারা কারখানা বন্ধের বিষয়টি জানতে পারেন এবং ইতিমধ্যে পাওনা পরিশোধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

কারখানা সংশ্লিষ্টরা জানান, গত বছরের আগস্টে কোম্পানির স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব ও সম্পদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের পর থেকেই প্রতিষ্ঠানগুলো তীব্র সংকটে পড়েছিল। এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ২৭ বছরের অভিজ্ঞ কর্মী হাশমত আলী জানান, গত দুই বছর ধরেই কাঁচামাল ও আর্থিক সংকটে উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। গুদামে থাকা মজুত কাঁচামাল দিয়ে এতদিন কার্যক্রম সচল রাখা সম্ভব হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। এর আগে কয়েক মাস ধরে ১০০ থেকে ১৫০ জন কর্মীকে পাওনা বুঝিয়ে বিদায় দেওয়া হয়েছিল।

আব্দুর রহমান নামের আরেক কর্মচারী জানান, উৎপাদন সীমিত বা পুরোপুরি বন্ধ থাকলেও গ্রুপটি গত এক বছরের বেশি সময় ধরে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করেছে। বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর তালিকায় রয়েছে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এস আলম সিমেন্ট, এস আলম অয়েল, এস আলম ভেজিটেবল অয়েল, এস আলম ব্যাগ ফ্যাক্টরি এবং একটি ফিড মিলসহ আরও কয়েকটি ইউনিট। সংশ্লিষ্টদের মতে, চট্টগ্রামে একসঙ্গে এতগুলো শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘটনা সাম্প্রতিক অতীতে নজিরবিহীন। এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য এস আলম গ্রুপের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রকাশ : ০১ আগস্ট ২০২৬, ০৯: ১৮আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২৬, ০৯: ১৯

এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের কর্মী হাশমত আলী, তিনি ২৭ বছর ধরে এই কারখানায় কর্মরত আছেন। তিনি জানান, গত ২ বছর ধরেই তাদের কারখানায় সংকট চলছে। কাঁচামাল সংকটে উৎপাদন যেমন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আর্থিক সংকটে বেতন ভাতাও অনিয়মিত হয়ে গেছে। বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা গত ২/৩ মাস ধরেই শোনা যাচ্ছিল। বৃহস্পতিবার অফিস করে ব

শেয়ার করুন