বিশ্বকাপের গ্যালারিতে নজর কাড়ছেন লামিন ইয়ামালের খুদে ভাই কেইন

প্রকাশ:

ফুটবল বিশ্বকাপের উত্তেজনার মাঝে মাঠের তারকাদের পাশাপাশি গ্যালারিতে থাকা এক খুদে দর্শক এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। স্পেনের তরুণ ফুটবল তারকা লামিন ইয়ামালের তিন বছর বয়সী ছোট ভাই কেইন নিজের প্রাণবন্ত উপস্থিতি, হাসি, নাচ এবং মজার অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে দর্শকদের নজর কেড়ে নিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ছে, যার ফলে তাকে অনেকে ‘বিশ্বকাপের ক্ষুদে তারকা’ বা ‘স্পেনের গ্যালারি সুপারস্টার’ হিসেবে অভিহিত করছেন।

স্পেনের প্রতিটি ম্যাচেই গ্যালারিতে কেইনের উপস্থিতি স্পষ্ট। সম্প্রচার ক্যামেরায় যখনই তাকে ধরা হয়, তখনই তার হাসিখুশি মুখভঙ্গি দর্শকদের আনন্দ দেয়। কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিপক্ষে জয়ের পর খেলোয়াড়রা যখন উদযাপনে মত্ত, তখনও কেইনের উচ্ছ্বাস ক্যামেরায় ধরা পড়ে। সেই মুহূর্তে বড় ভাই লামিন ইয়ামালকেও ছোট ভাইয়ের দুষ্টুমি দেখে হাসতে দেখা যায়। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জয়ের পর গ্যালারিতে দুই হাত তুলে কেইনের ‘ভামোস!’ বলে চিৎকার করার দৃশ্যটিও দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে জন্ম নেওয়া কেইনকে নিয়ে ইয়ামাল সবসময়ই আবেগপ্রবণ। দুই ভাইয়ের বয়সের ব্যবধান প্রায় ১৫ বছরের হলেও তাদের সম্পর্কের গভীরতা অনেক। ইয়ামাল বলেন, ‘আমার ছোট ভাই আমার কাছে সবকিছু। আমি তাকে প্রচণ্ড ভালোবাসি। মনে হয় সে আমার নিজের সন্তান।’ তাদের মা একই হলেও বাবা আলাদা। কঠিন আর্থিক বাস্তবতায় বেড়ে ওঠা বার্সেলোনার এই তরুণ তারকা জানিয়েছেন, এখন মায়ের মুখে হাসি এবং ছোট ভাইকে সুন্দর শৈশব উপভোগ করতে দেখাই তার কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দ।

কেইনের পরিচিতি অবশ্য এই প্রথম নয়। ২০২৪ সালে স্পেন ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ভাইয়ের সঙ্গে শিরোপা উৎসবে অংশ নিয়েছিল সে। একই বছর প্যারিসে ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে কালো স্যুট ও স্নিকার্স পরে রেড কার্পেটে হেঁটেও সে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। বর্তমানে একদিকে ইয়ামাল মাঠে তার পায়ের জাদুতে বিশ্বকে মুগ্ধ করছেন, আর অন্যদিকে কেইন গ্যালারিতে নিজের নিষ্পাপ প্রাণচাঞ্চল্যে কোটি মানুষের ভালোবাসা কুড়িয়ে নিচ্ছে।

শেয়ার করুন