সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের ফাঁকি বন্ধে বায়োমেট্রিক ও ডিজিটাল নজরদারি

প্রকাশ:

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বায়োমেট্রিক উপস্থিতি ও জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই ডিজিটাল ব্যবস্থা কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হাসপাতালের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ইউজার ফি, কেবিন ভাড়া, আইসিইউ চার্জ এবং বিভিন্ন পরীক্ষার ফি পর্যায়ক্রমে শতভাগ ডিজিটাল পদ্ধতিতে আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, উপস্থিতির এই তথ্য সরাসরি বেতন, ছুটি ও পদোন্নতির সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় থেকে এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে এ সংক্রান্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন বলে পরিপত্রে উল্লেখ রয়েছে।

হাসপাতালের কর্মদক্ষতা বাড়াতে প্রতি মাসে সেরা ৫ শতাংশ এবং দুর্বল কর্মদক্ষতার ৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রণোদনা দেওয়া হবে এবং দুর্বল কর্মদক্ষতার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা। দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কেবিন ফি পুনর্মূল্যায়ন বা যৌক্তিকীকরণের ক্ষেত্রে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনায় নিতে হবে। এসব ডিজিটাল পদক্ষেপের কারণে যেন কোনোভাবেই দরিদ্র রোগীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি না হয়, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

শেয়ার করুন