বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের বদলির আবেদন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার থেকে শিক্ষকরা অনলাইনে এই আবেদন করতে পারছেন। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৭ আগস্ট।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) জানিয়েছে, একজন শিক্ষক তার পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানে বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। ২০২৬ সালে প্রণীত সংশোধিত বদলি নীতিমালা অনুযায়ী, স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে আবেদন যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে বদলির আদেশ দেওয়া হবে।
বদলির আবেদনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত ও নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে। একজন শিক্ষক তার নিজ জেলায় বদলির আবেদন করতে পারবেন। যদি নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকে, তবে নিজ বিভাগের যেকোনো জেলায় শূন্য পদের বিপরীতে আবেদনের সুযোগ থাকবে। এছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা, অথবা স্বামী বা স্ত্রী সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা এমপিওভুক্ত কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকলে সেই জেলায়ও বদলির আবেদন করা যাবে।
যোগ্যতার শর্ত হিসেবে, চাকরিতে দুই বছর পূর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক। বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার পর সেখানে কমপক্ষে দুই বছর কাজ করতে হবে, এরপরই পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করা সম্ভব হবে। তবে কোনো শিক্ষকের এমপিও বন্ধ থাকলে, তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলে কিংবা তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে বদলির আবেদন করার সুযোগ থাকবে না। অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্যের আবেদন বিবেচনা করা হবে না।
মাউশি সতর্ক করেছে যে, বদলির সফটওয়্যারে প্রতিষ্ঠানের দেওয়া তথ্যে কোনো ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও আবেদনকারী শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন। বদলির আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে শিক্ষককে অবমুক্ত করতে হবে এবং অবমুক্ত হওয়ার ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।
গত ৬ মে জারি করা সংশোধিত নীতিমালার আওতায় সহকারী শিক্ষক, প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকদের পাশাপাশি অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রদর্শক ও ট্রেড ইন্সট্রাক্টররাও সমপদে বদলির সুযোগ পাচ্ছেন। শিক্ষকদের মাউশির নির্দিষ্ট বদলি আবেদন পোর্টাল ব্যবহার করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।





