বাংলাদেশ ফুটবল দল এখন আর আগের মতো নেই, বরং পুরোপুরি বদলে গেছে। লাল-সবুজের জার্সিধারীরা এখন যেকোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে চোখে চোখ রেখে লড়াই করতে সক্ষম। সর্বশেষ এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে হামজা ও শমিতরা সেই প্রমাণ দিয়েছেন। বর্তমান দলটি যে কারো বিপক্ষে চমক দেখানোর ক্ষমতা রাখে বলে দৃঢ় বিশ্বাস বাংলাদেশের প্রধান কোচ থমাস ডুলির।
শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডুলি জানান, সাফের আগে আসিয়ান কাপে খেলার সুযোগ পেলে দলের প্রস্তুতি ভালো হবে। তবে এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশকে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে, কারণ সেখানে সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া বা মালয়েশিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলার সম্ভাবনা রয়েছে।
টুর্নামেন্টে আন্ডারডগ হিসেবে খেললেও এর ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন ডুলি। তিনি বলেন, আন্ডারডগ হলেও নিজেদের সেরাটা প্রমাণের চাপ থাকবে প্রতিপক্ষের ওপর। আর বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে মাঠে লড়াই করা। খেলোয়াড়রা যদি শারীরিকভাবে শতভাগ ফিট থাকেন, তবে যে কাউকেই চমকে দেওয়া সম্ভব।
আসিয়ান কাপে অংশগ্রহণের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত না হলেও, টুর্নামেন্টটিতে খেলার সুযোগ পেলে বাংলাদেশ চারটি ম্যাচ পাবে। ঘরের মাঠের তুলনায় এই ম্যাচগুলোতে জয় পাওয়া বেশি কঠিন হবে বলে মনে করেন ডুলি। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ঘরের মাঠে খেললে কঠিন ম্যাচগুলোর জন্য আত্মবিশ্বাস তৈরি করা যায়।
খেলোয়াড়দের ফিটনেসের ঘাটতিকে সাফল্যের পথে প্রধান বাধা হিসেবে দেখছেন কোচ। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ফুটবলে চার সপ্তাহের প্রাক-মৌসুম ফিটনেস ট্রেনিং এবং অন্তত ৫-৬টি ম্যাচ খেলার সুযোগ না থাকলে লড়াই করা ভীষণ কঠিন। পেশাদার ফুটবলের ক্ষেত্রে এই পরিস্থিতি জটিল হলেও বিদ্যমান পরিস্থিতির সঙ্গেই মানিয়ে নিতে হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।





