সুপ্রিম কোর্টে নবনিযুক্ত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। রোববার (২ আগস্ট) সকালে নতুন আইন কর্মকর্তাদের যোগদান উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। এর আগে সকাল ৮টার দিকে নবনিযুক্ত আইন কর্মকর্তারা অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে উপস্থিত হন এবং আনুষ্ঠানিকতা শেষে অ্যাটর্নি জেনারেল তাদের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে নিয়ে সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।
মতবিনিময়কালে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আইন কর্মকর্তাদের প্রত্যেকের পেশাগত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা ভিন্ন। যার যে ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞতা রয়েছে, সেই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রের পক্ষে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, দেশপ্রেম, সততা ও পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব আমাদের ওপর অর্পণ করা হয়েছে, যা যথাযথভাবে পালন করতে হবে। সাধারণ মানুষ যেকোনো প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে সততা, কর্মদক্ষতা ও দেশপ্রেমকে গুরুত্ব দিতে চায়। তার বিশ্বাস, রাষ্ট্রপতি ও সরকার এসব বিষয় বিবেচনা করেই নতুনদের নিয়োগ দিয়েছেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের দায়িত্ব কেবল সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় উল্লেখ করে রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিক এই কার্যালয়ের সেবাগ্রহীতা। তিনি বলেন, সরকারই আমাদের একমাত্র ক্লায়েন্ট নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষই আমাদের ক্লায়েন্ট। জনগণের কল্যাণ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
নতুন নিয়োগ নিয়ে একাংশের অসন্তোষের বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এত বড় দপ্তরে সবাইকে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব নয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ৩৩৭ জন আইন কর্মকর্তা থাকলেও পরবর্তীতে সেই সংখ্যা কমেছে। বর্তমান সরকার ও রাষ্ট্রপতি প্রয়োজন অনুযায়ী ডিএজি ও এএজি নিয়োগ দিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১৮০ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ চূড়ান্ত করে এবং আগের সব নিয়োগ বাতিল করে।





