আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত ড্র সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার বিকেলে ভুটানের থিম্পুতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ছয়টি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে নেপাল এই ড্র থেকে বাদ থাকলেও, সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে তারা স্বাগতিক বাংলাদেশের গ্রুপে যুক্ত হতে পারবে।
স্বাগতিক বাংলাদেশ বর্তমানে ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে, যেখানে তাদের নিশ্চিত প্রতিপক্ষ হিসেবে আছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। যদি নেপাল শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারে, তবে গ্রুপটি চার দলের হবে এবং সেখান থেকে শীর্ষ দুটি দল সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ পাবে। অন্যথায় তিন দলের গ্রুপ হিসেবেই টুর্নামেন্ট পরিচালিত হবে।
অন্যদিকে, ‘বি’ গ্রুপে পড়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। এই গ্রুপের তৃতীয় দলটি হলো মালদ্বীপ। টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, দুই গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলগুলো সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।
দীর্ঘদিন পর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের স্বাগতিক হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এর আগে ২০০৩ সালে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। দীর্ঘ ১৪ বছরের বিরতির পর ২০২৩ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত সাফে বাংলাদেশ সেমিফাইনালে উঠেছিল। ২০১৮ সালের পর এবারই প্রথম তারা সাফের স্বাগতিক হিসেবে খেলছে।
বাংলাদেশে আগামী ৪-১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ।
২০০৯ সালের পর ১৪ বছরের খরা কাটিয়ে ২০২৩ সালে ভারতে সেমিফাইনালে উঠেছিল।





