আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য বিশেষ অধিবেশন ডাকার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।
নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের জন্য ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সময় হাতে থাকায় বিশেষ অধিবেশনের প্রয়োজন নেই। কে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হবেন তা সময় বলে দেবে। উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। সংবিধান অনুযায়ী ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তার মেয়াদ থাকার কথা থাকলেও স্বাস্থ্যগত কারণে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বর্তমানে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন এবং সংবিধানের বিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
রাজনৈতিক মামলা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী জানান, সরকার ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যেকোনো রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারে কাজ করছে। তবে রাজনৈতিক পরিচয় থাকলেও কোনো ধরনের ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহার করা হবে না। যত বড় রাজনৈতিক নেতাই হোক না কেন, এ বিষয়ে ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। এছাড়া মন্ত্রী জানান, আগামী কেবিনেটে ১৩৩টি অধ্যাদেশ ও গুম প্রতিরোধবিষয়ক অধ্যাদেশের বিষয়টি উত্থাপিত হবে এবং সেখানেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বর্তমানে এক্সট্রা জুডিশিয়াল কিলিং বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড শূন্যের কোটায় রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সদ্যবিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করবেন না।





