নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন চলাকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহবানে এক গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের বহুপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন কাতারের আমীর শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। আঞ্চলিক নিরাপত্তা, যুদ্ধ পরবর্তী স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব নিয়ে বিশদ আলোচনার উদ্দেশ্যে এই সম্মেলনটি আয়োজন করা হয়েছিল।
সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আমীর শেখ তামিম ছাড়াও জর্দানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহ বিন আল-হুসেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা, কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহ, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী ফালিহ আল-জাইদি, মিশরের প্রধানমন্ত্রী ড. মোস্তফা মাদবুলি এবং লেবাননের প্রধানমন্ত্রী ড. নাওয়াফ সালাম এতে অংশ নেন। এছাড়াও উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিনিধি হিসেবে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল-সৌদ, আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান, ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি ও বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল লতিফ বিন রশিদ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ এবং অর্থনীতির ওপর সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ করা হয়। নেতৃবৃন্দ চলমান সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে কূটনৈতিক সংলাপ ও রাজনৈতিক সমাধানের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া যুদ্ধোত্তর পুনর্গঠন প্রক্রিয়া এবং সংকট নিরসনে আঞ্চলিক সহযোগিতার কৌশল নির্ধারণ নিয়ে বিশ্বনেতারা মতবিনিময় করেন।
এই সফরে কাতারের আমীরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন জসিম আল থানি এবং আমীরের সফরসঙ্গী উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা নিরসনে দোহা যে কূটনৈতিক মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, এই বহুপাক্ষিক সম্মেলনে তার প্রতিফলন লক্ষ্য করা গেছে।





