ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া নিয়ে চলমান আলোচনায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি সচল করার প্রচেষ্টার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে নিজেদের শর্ত তুলে ধরার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পাল্টা দাবি জানিয়েছেন যে, অতীতের যুদ্ধ, হামলা ও বিক্ষোভে হতাহতের জন্য ইরানকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের ফলে উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথটি দ্রুত সচল হওয়ার সম্ভাবনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
এই ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে। মঙ্গলবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮৮ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেল বা ডব্লিউটিআইয়ের দাম বেড়ে ৮২ দশমিক ৪৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। ৩১ জুলাইয়ের পর থেকে এটিই এই দুই বেঞ্চমার্কের সর্বোচ্চ দাম। এর আগে সোমবার তেলের দাম প্রায় ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল।
বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা বজায় থাকলে তা বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করবে এবং তেলের দাম আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।





