ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কড়া বার্তা দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ:

শনিবার সকালে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে সকাল সাড়ে ৯টায় পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাজির হন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। সেখানে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কক্ষে ঢুকে আকস্মিক পরিদর্শন শুরু করেন। প্রায় ৩ ঘণ্টা অবস্থানকালে তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন নথিপত্র, হাজিরা খাতা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ওষুধের স্টোর ও রোগী ভর্তির ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং ভর্তি রোগীদের সাথে কথা বলে চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, এর পরিণতি সবাইকে ভোগ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার ব্যর্থ হলে দেশের ভবিষ্যৎ সংকটে পড়বে এবং বর্তমান সরকারের মতো আন্তরিক সরকার ও প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আর আসবে না।

স্বাস্থ্যসেবায় অনিয়মের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না। প্রয়োজনে জড়িতদের সাময়িক বরখাস্ত বা চাকরিচ্যুতির মতো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতদিন সরকার সংযম দেখালেও এখন আর নরম থাকার সুযোগ নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন। সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি সবার প্রতি আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান।

হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী স্থানীয় মডার্ন ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ক্লিনিক এবং পপুলার ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ক্লিনিক পরিদর্শন করেন। বৈধ লাইসেন্স না থাকায় তিনি সাথে সাথে এই দুটি ক্লিনিক বন্ধ ঘোষণা করেন এবং সিলগালা করে দেন। পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন ও মন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা তার সঙ্গে ছিলেন।

শনিবার (১ আগাস্ট) সকালে ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়ে সকাল সাড়ে ৯টায় কাউকে না জানিয়ে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঢুকে পড়েন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কক্ষে ঢুকে আকস্মিক পরিদর্শন করেন। তিনি সেখানে কমপক্ষে ৩ ঘণ্টা অবস্থান করেন এবং বিভিন্ন বিষয়ের খোঁজ খবর শেষ এ কথা বলেন।

শেয়ার করুন