যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছেন।
সার্জিও গর তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, চলতি সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে একটি ‘অসাধারণ চুক্তি’ সম্পন্ন হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ আরও বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয়ের জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর পাশাপাশি আগের প্রাথমিক ক্রয়াদেশের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
তবে এই চুক্তির অধীনে ঠিক কতটি বা কোন মডেলের বোয়িং উড়োজাহাজ কেনা হবে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি সার্জিও গর। এমনকি এই চুক্তির মোট আর্থিক মূল্য কত, তাও তাঁর পোস্টে উল্লেখ করা হয়নি। মার্কিন বিশেষ দূতের এই বক্তব্যের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত ৩০ জুলাই ঢাকা সফর করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গর, যিনি একই সঙ্গে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বেও রয়েছেন। তাঁর ঢাকা সফরের প্রায় এক মাস পর এই বোয়িং চুক্তির বিষয়টি সামনে এলো। তবে সে সময় সফরকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট করা হয়নি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তখন জানানো হয়েছিল যে, সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা চলাকালে বাংলাদেশ বোয়িং কেনার পরিকল্পনা বাড়িয়েছিল। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা করা হলেও পরবর্তীতে তা বাড়িয়ে ২৫টি করা হয়েছিল।





