গত ৫ আগস্ট ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন ও মতবিনিময়ের সুযোগ পাওয়ার ঘটনায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সিনিয়র সাংবাদিক ও অ্যাক্টিভিস্ট রাজিব আহমদ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে একটি বিশ্লেষণধর্মী পোস্ট দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের প্রতি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এমন ক্ষোভ প্রকাশ করার ঘটনা তার জীবনে বিরল।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে শেখ হাসিনাকে 'পলাতক', 'দণ্ডিত' এবং 'গণহত্যাকারী' হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে জুলাই মাসকে 'বিপ্লব' হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ কখনোই বশ্যতা স্বীকারকারী রাষ্ট্র হবে না। মন্ত্রণালয় বিষয়টিকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি চরম অবমাননা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। এছাড়া, ভারত সরকারকে আগে থেকেই এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে উদ্বেগ জানানো সত্ত্বেও তা আয়োজনের অনুমতি দেওয়ায় ঢাকা তীব্র অসন্তোষ জানিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালনের দিনে ভারতের মাটিতে হাসিনাকে মতবিনিময়ের সুযোগ দেওয়া শহীদদের প্রতি গুরুতর অসম্মান। এছাড়া, ২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দণ্ডিত হাসিনাকে ফেরত পাওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করা হলেও ভারত তার কোনো সাড়া দেয়নি। এর বিপরীতে তাকে গণমাধ্যমের সামনে সুযোগ করে দেওয়াকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর ও বেদনাদায়ক বলে মন্তব্য করা হয়েছে।
রাজিব আহমদ তার পোস্টে মন্ত্রণালয়ের ব্যবহৃত শব্দগুলোর ওপর আলোকপাত করেন। তিনি লক্ষ্য করেন যে, যেখানে বিএনপির মতো দলগুলো জুলাইয়ের ঘটনাকে অভ্যুত্থান বা আন্দোলন বলতে চেয়েছিল, সেখানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একে 'বিপ্লব' হিসেবেই সংজ্ঞায়িত করেছে। বিবৃতিতে আরও জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে দণ্ডিত গণহত্যাকারী হাসিনা ও তার মাফিয়া চক্রের কোনো স্থান নেই। বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ফ্যাসিবাদী সরকারের শিশুসহ নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের ওপর চালানো নৃশংস হত্যাকাণ্ডসহ জাতিসংঘ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সত্যকে অস্বীকার করার এই প্রচেষ্টা পলাতক দণ্ডিত গণহত্যাকারী হাসিনা এবং তার অপরাধী চক্রের ইতিহাসকে উল্টে দেওয়ার একটি ব্যর্থ চেষ্টা মাত্র। বাংলাদেশের জনগণ অতীতেও এ ধরনের জঘ





