স্পেনের সেউতায় আটকে পড়া অভিবাসীদের আশ্রয় ও অধিকারের দাবিতে বিক্ষোভ

প্রকাশ:

স্পেনের উত্তর আফ্রিকান ভূখণ্ড সেউতায় প্রবেশ করা শত শত অভিবাসী রোববার এল ত্রামপোলিন সৈকতে বিক্ষোভ করেছেন। তারা মরক্কোয় ফেরত পাঠানোর পরিবর্তে স্পেনের কর্তৃপক্ষের কাছে আশ্রয়ের সুযোগ দাবি করেছেন। দুই সপ্তাহ আগে সেউতার সীমান্তে প্রায় ৭২ হাজার মানুষ প্রবেশের চেষ্টার পর বর্তমানে ৫ হাজার থেকে ৮ হাজার অভিবাসী সেখানে আটকা পড়েছেন। তাদের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক মোহাম্মদ ইসমাইল হোসাইনসহ অনেকেই রয়েছেন। ইসমাইল হোসাইন ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ ছাড়েন এবং ভারত, পাকিস্তান, ইরাক, সিরিয়া, মিশর, লিবিয়া ও আলজেরিয়া হয়ে ইউরোপের পথে দীর্ঘ ও বিপজ্জনক যাত্রা করেন।

বিক্ষোভকারীরা সমুদ্রের পাশে ঠান্ডা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করছেন। তেতোয়ান শহরের বাসিন্দা আয়ুব এলারুদ জানান, তারা চরম কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এবং পুলিশ তাদের শহরের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। বিক্ষোভকারীদের ব্যানারে লেখা ছিল ‘আমরা মরক্কোয় ফিরে যেতে চাই না’ ও ‘আমরাও মানুষ’। তারা দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মারলাস্কা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, অনিয়মিতভাবে সেউতায় প্রবেশ করা অভিবাসীদের স্পেনের মূল ভূখণ্ডে যাওয়ার কোনো সুযোগ বা বৈধ মর্যাদা দেয়া হবে না, তবে ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে বিশেষ বিবেচনা করা হতে পারে।

সেউতার মেডিকেল বোর্ডের প্রধান এনরিকে রোভিরাল্তা কেন্দ্রীয় সরকারের ধীরগতির প্রতিক্রিয়ার সমালোচনা করেছেন। তিনি জানান, সেখানে সংক্রামক ডায়রিয়া ও খোসপাঁচড়ার মতো রোগ ছড়িয়ে পড়ছে এবং মারামারি বা ছুরিকাঘাতের মতো সহিংস ঘটনা বাড়ছে। অভিবাসীদের মধ্যে অনেকেই নিজ দেশের কর্মপরিবেশ ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে ইউরোপে আসার চেষ্টা করছেন। নাইজেরিয়ার ইলেকট্রিশিয়ান ইমানুয়েল এবং সেনেগালের ওসমান জানান, যুদ্ধ, অপহরণের ভয় ও ব্যক্তিগত নিপীড়নের কারণে তারা আশ্রয়ের সন্ধানে এই বিপজ্জনক যাত্রা শুরু করেছেন। এই পরিস্থিতি স্পেনের জন্য মানবিক, রাজনৈতিক ও স্বাস্থ্যসেবার দিক থেকে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সমুদ্র সাঁতরে স্পেনে প্রবেশ করা অবৈধ অভিবাসীর কয়েক হাজার সেখানে আটকা পড়েছেন। বর্তমানে এল ত্রামপোলিন সৈকত বা শহরের উপকণ্ঠে অত্যন্ত দুর্বিষহ পরিবেশে বসবাস করছেন এসব মানুষ। তারা মূল ভূখণ্ড ইউরোপে যাওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন। এর মধ্যে আছেন বাংলাদেশি নাগরিকও। তাদের একজন মোহাম্মদ ইসমাইল হোসাইন (৩৪)। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থা

তাদের দাবি, মরক্কোয় ফেরত পাঠানোর পরিবর্তে স্পেনের কর্তৃপক্ষ যেন তাদের আশ্রয়ে সুযোগ দেয়। দুই সপ্তাহ আগে সেউতার সীমান্তে ব্যাপক অভিবাসী ঢলের পর সেখানে আটকে পড়া ৫ হাজার থেকে ৮ হাজার মানুষের মধ্যে এই বিক্ষোভকারীরা রয়েছেন। ওই সময় প্রায় ৭২ হাজার মানুষ মাত্র ৮০ হাজার জনসংখ্যার ছোট ওই ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরবর্তী কয়েক দি

শেয়ার করুন