বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১৬ আগস্ট) কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন এবং মানুষের জীবনমানের উন্নয়নই সরকারের মূল উদ্দেশ্য। যে কাজ করলে মানুষের উপকার হবে, সরকার সে কাজই করতে চায়।
মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব খাল-বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে মৎস্যসম্পদ বাড়ানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য মাছের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। কৃষকদের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারের সামর্থ্য অনুযায়ী কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো হবে এবং কৃষি খাতের উন্নয়ন ও কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের যদি উন্নয়ন হতো, তাহলে দেশের এ অবস্থা কেন? তিনি আরও বলেন, অতীতে অপরিকল্পিত কাজের কারণে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে মানুষকে কষ্ট পেতে হচ্ছে। সরকার জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো কাজ করবে না এবং শান্তি, স্থিতিশীলতা ও জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি যখনই রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে, তখনই কিছু দল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। রাজপথে বিশৃঙ্খলা করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। তারেক রহমান বলেন, দেশকে এগিয়ে নেওয়ার এখনই সময়। ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছে মানুষ, এখন সবাইকে হাতে হাত রেখে রাষ্ট্র মেরামতে কাজ করতে হবে। যারা দেশের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করবে, তাদের বিরুদ্ধেও সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান সরকারপ্রধান।





