অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়কে ক্যারিয়ারের সেরা বলছেন শান্ত

প্রকাশ:

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ঐতিহাসিক জয়কে যেকোনো সংস্করণে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ের নবম স্থানে থাকা বাংলাদেশ বিশ্বসেরা অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটি বাংলাদেশের মাত্র তৃতীয় টেস্ট ম্যাচ ছিল।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শান্ত বলেন, এটি এখন পর্যন্ত যেকোনো সংস্করণে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়। তিনি দলের পরিশ্রম এবং খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে গর্ব প্রকাশ করে সামনে আরও বিশেষ কিছু করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের পেস বোলারদের উত্থানকে তিনি টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। শান্ত জানান, মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুল হকের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের উৎসাহে তরুণ পেসাররা এখন বিশ্বমানের হওয়ার মানসিকতা নিয়ে খেলছেন।

ম্যাচের ভিত গড়ে দেন উদ্বোধনী ব্যাটার তানজিদ হাসান। মাত্র নিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা ২৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার প্রথম ইনিংসে ১০১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন, যা বাংলাদেশকে ৪২৬ রানের সংগ্রহ এনে দেয়। শান্ত তানজিদের প্রশংসা করে বলেন, সে নিজের চরিত্র দেখিয়েছে এবং বলের গুণাগুণ বুঝে খেলেছে, যা দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

প্রথম ইনিংসে তিন পেসার মিলে অস্ট্রেলিয়ার ১০ উইকেট তুলে নিয়ে তাদের ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেন। দ্বিতীয় ইনিংসে মেহেদী হাসান মিরাজের পাঁচ উইকেটের সুবাদে স্বাগতিকরা ২৮৪ রানে অলআউট হয়। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৫৭ রান। ম্যাচে ৯ উইকেট শিকার করে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন হাসান মাহমুদ। হাসান বলেন, তারা প্রতিটি অনুশীলনে নিজেদের প্রক্রিয়ার ওপর বিশ্বাস রেখেছেন এবং ধৈর্য ধরে সঠিক জায়গায় বল করেছেন।

ম্যাকেতে দ্বিতীয় টেস্ট জিতে সিরিজ ২-০ ব্যবধানে শেষ করার বিষয়ে শান্ত আত্মবিশ্বাসী। তিনি জানান, দল সেই বিশ্বাস নিয়েই মাঠে নামবে এবং প্রতিটি পর্ব ধরে ভালো ক্রিকেট খেলার পরিকল্পনা বজায় রাখবে।

এতে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের লিড দাঁড়ায় ২২৮ রান।

শেয়ার করুন