জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কমিটি এখন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের টেবিলে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, যে কোনো সময় নতুন এই কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে। এই ঘোষণার মাধ্যমে বর্তমান সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির নেতৃত্বাধীন কমিটির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
গত ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ছাত্রদলের শীর্ষ পাঁচ নেতা তারেক রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকে সাম্প্রতিক আন্দোলন-সংগ্রামে ছাত্রদলের ভূমিকা, ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে পেশাদারত্ব বজায় রাখা এবং নতুন নেতৃত্বের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেতা জানিয়েছেন, বৈঠকে তারেক রহমান বৈষম্যবিরোধী ও সরকারবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদলের অবদানের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে পেশাদারত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে বিদায়ী নেতাদের মূল দলের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
২০২৪ সালের ১ মার্চ রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সভাপতি ও নাছির উদ্দীন নাছিরকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় আংশিক কমিটি গঠিত হয়। একই সময় আবু আফসান মো. ইয়াহিয়াকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, শ্যামল মালুমকে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আমান উল্লাহ আমানকে সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ১৫ জুন রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ২৬০ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। ছাত্রদলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সংসদের মেয়াদ দুই বছর, যা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছে। এরপর থেকেই নতুন কমিটির পদপ্রত্যাশীরা তৎপর ছিলেন।
নতুন কমিটির শীর্ষ পদের জন্য আলোচনায় রয়েছেন আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়া, ইজ্জাজুল কবির রুয়েল, ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল, আমান উল্লাহ আমান, মমিনুল ইসলাম জিসান, শরীফ প্রধান শুভ, গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং বোরহান উদ্দিন ইশরাক। নতুন কমিটি ঘোষণার পর ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে এগিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।





