সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান প্রদেশে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথিরা হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) দেশটির এক সামরিক কর্মকর্তা এই হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। হামলায় বিদেশিসহ অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন।
সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে সাতজন সৌদি নাগরিক, দুজন মিশরীয়, একজন ইয়েমেনি এবং একজন পাকিস্তানি নাগরিক রয়েছেন। ভুক্তভোগীদের মধ্যে চার বছর বয়সী এক শিশুও রয়েছে।
জোটের মুখপাত্র হুথিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন। তিনি বলেন, হুথিরা বেসামরিক এলাকায় নির্বিচারে গোলাবর্ষণ করছে। তিনি আরও জানান, সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখবে। তবে জোটের এই বিবৃতির বিষয়ে হুথি বা ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সৌদি আরবের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে তথ্য রয়েছে যে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) তত্ত্বাবধানে হুথি ও ইরাকি মিলিশিয়ারা সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো, বন্দর ও বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় সমন্বিত হামলার পরিকল্পনা করছে। দেশটিতে এমন হামলার সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, রিয়াদ ও হুথিদের মধ্যে এক দশকের পুরনো সংঘাত বর্তমানে লোহিত সাগরে হুথিদের অবরোধের কারণে আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। এই অবরোধের ফলে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যা বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে।





