বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে ওমানের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই জানিয়েছেন, ওমানের সঙ্গে প্রণালিটির ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক নিয়ে ইতোমধ্যে সমঝোতা হয়েছে। তবে চুক্তিটি চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকলেও, এই পথ দিয়ে এখনই পুরোপুরি নিরাপদ নৌচলাচলের নিশ্চয়তা দেওয়া যাচ্ছে না। এর প্রধান কারণ হিসেবে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং বৈরী পদক্ষেপ অব্যাহত থাকাকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা নিরাপত্তা ঝুঁকি জিইয়ে রেখেছে।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদী দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনাকে জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত এই নতুন পথটি হবে সম্পূর্ণ অস্থায়ী। এটি প্রাথমিকভাবে দুই থেকে চার মাস পর্যন্ত চালু রাখা হতে পারে বলে পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পারস্য উপসাগরে প্রবেশকারী জাহাজগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে ত্রিপক্ষীয় মতবিরোধ চলছে। রয়টার্সের তথ্যমতে, ইরান জাহাজগুলোর পণ্যমূল্যের ওপর ৫ থেকে ৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের দাবি জানাচ্ছে। অন্যদিকে মধ্যস্থতাকারী ওমান প্রায় ৩ শতাংশ শুল্কের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছে, তবে ওয়াশিংটন কোনো প্রকার শুল্ক দিতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রণালিটি খুব শিগগিরই খুলে না দেওয়া হলে ইরানকে ‘ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ হতে হবে। তবে ইরান বরাবরের মতোই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে।
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকে তেহরান এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি প্রায় পুরোপুরি অবরুদ্ধ করে রেখেছে। বিশ্বের জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে প্রণালিটি বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিষয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এদিকে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদী দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনাকে জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত এই নতুন পথটি হবে সম্পূর্ণ অস্থায়ী, যা ২ থেকে ৪ মাস পর্যন্ত খোলা রাখা হতে পারে।





