২৭ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেষ ৩০ মিনিটে লিভারপুলকে গুঁড়িয়ে সিটির দাপুটে জয়

প্রকাশ:

মাঠের বাইরের আইনি জটিলতা আর নানা বিতর্কের উত্তাপ সঙ্গী করেই অ্যানফিল্ডে নেমেছিল ম্যানচেস্টার সিটি। খেলার প্রথম এক ঘণ্টা উভয় দলের লড়াই ছিল বেশ ভারসাম্যপূর্ণ। তবে ৬২ মিনিটে লিভারপুলের ডাচ মিডফিল্ডার রায়ান গ্রাভেনবারখ জেরেমি ডোকুকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড অর্থাৎ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ম্যাচের চিত্র সম্পূর্ণ বদলে যায়। এরপর ১০ জনের লিভারপুলকে কোণঠাসা করে শেষ ৩০ মিনিটে ৩-০ গোলের বড় জয় তুলে নেয় সিটিজেনরা। তার বিদায়ের পরই ১০ জনের লিভারপুলের ওপর একের পর এক আক্রমণ শুরু করে সিটি। খেলার এক ঘণ্টা পর্যন্ত লড়াই থাকে সমানে সমান।

প্রথমার্ধে স্বাগতিক লিভারপুল আক্রমণে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও আর্লিং হালান্দ, ইলিয়ট অ্যান্ডারসন ও জেরেমি ডোকুদের নিয়ে সিটি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধে গ্রাভেনবারখের বিদায়ে লিভারপুলের রক্ষণভাগ দুর্বল হয়ে পড়ে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৬৫ মিনিটে বদলি নামা ডোকুর পাস থেকে চমৎকার ফার্স্ট-টাইম ফিনিশিংয়ে সিটিকে এগিয়ে দেন হালান্দ।

লিড পাওয়ার পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে সিটি। গোল করার মিনিট তিনেকের মধ্যেই বাঁ প্রান্ত দিয়ে দুর্দান্ত ড্রিবল করে বক্সে ঢুকে সিটির ব্যবধান ২-০ করেন জেরেমি ডোকু। ৭৮ মিনিটে ম্যাচের অন্যতম সেরা গোলটি আসে, যেখানে দীর্ঘ দুই মিনিট বল দখলে রেখে ম্যারেস্কার শিষ্যরা এক নিখুঁত আক্রমণ সাজায়। রায়ান চেরকি ও ইয়োস্কো ভার্দিওলের চমৎকার পাসিংয়ের পর অ্যান্ডারসনের সহায়তায় স্বাগতিকদের রক্ষণ ভেঙে লক্ষ্যভেদ করেন চেরকি। ৭৮ মিনিটে দেখা মেলে চলতি মৌসুমের অন্যতম সেরা গোলের।

ম্যাচ শেষে গ্যালারি থেকে ‘চিটস’ ও ‘গোয়িং ডাউন’ স্লোগান শুনতে হলেও মাঠের পারফরম্যান্সে সিটি বস মারেস্কা খেলোয়াড়দের সাথে জয়ের উল্লাসে মেতে ওঠেন। মাঠের বাইরের উত্তপ্ত পরিবেশের প্রভাব ছাপিয়ে বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ম্যানচেস্টার সিটি।

শেয়ার করুন