২০২৬ বিশ্বকাপের আসরজুড়ে খেলোয়াড় ও দলগুলোকে লক্ষ্য করে সাইবার বুলিংয়ের হার ছিল উদ্বেগজনক। বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সুরক্ষা পরিষেবার (এসএমপিএস) প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে ফিফা জানিয়েছে, টুর্নামেন্ট যত এগিয়েছে, অনলাইন আক্রমণের মাত্রা ততই বেড়েছে। দলগতভাবে আক্রমণের শীর্ষে রয়েছে আর্জেন্টিনা। স্কালোনির শিষ্যদের নিয়ে রেফারিদের অন্যায্য সহায়তা পাওয়ার অভিযোগ তুলে এবং কোচ লিওনেল স্কালোনিকে ব্যক্তিগতভাবে নিশানা করে প্রচুর বিদ্বেষমূলক মন্তব্য ছড়ানো হয়েছে। এই তালিকায় আর্জেন্টিনার পরই রয়েছে ইংল্যান্ড, স্পেন, ব্রাজিল ও নরওয়ের নাম।
তবে ব্যক্তিগত পর্যায়ে আক্রমণের শিকার হওয়ার ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা তালিকার চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন। ফুটবলারদের প্রতি সবচেয়ে বেশি বিদ্বেষ প্রদর্শনকারী নেটিজেনদের তালিকায় এগিয়ে আছে ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও পর্তুগাল। ব্যক্তিগত আক্রমণগুলোর একটি বড় অংশ ছিল বর্ণবাদী, যা মূলত আফ্রিকান বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের টার্গেট করে ছড়ানো হয়েছে। ফিফা জানিয়েছে, পুরো টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি অনলাইন হয়রানির শিকার এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১০ হাজারের বেশি আপত্তিকর পোস্ট করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর নাম প্রকাশ না করা হলেও জানা গেছে, এর ৪০ শতাংশই ছিল বর্ণবাদী। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে সমকামিতা, নারীবিদ্বেষ ও ট্রান্সজেন্ডার-বিদ্বেষমূলক মন্তব্যও করা হয়েছে।





