বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীরের মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই শোক জানান।
বিবৃতিতে চরমোনাই পীর বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী ছিলেন। একজন বিজ্ঞ আইনজীবী হিসেবে তিনি সফল ছিলেন এবং জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে সুখ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ফ্যাসিবাদের শাসনামলে নিপীড়িত মানুষের পাশে আইনি সহায়তা নিয়ে দাঁড়ানোর জন্য তিনি তাকে স্মরণ করেন। তিনি প্রয়াতের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে তার ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে জান্নাতের উঁচুস্থানে জায়গা দেওয়ার দোয়া করেন। একই সঙ্গে তিনি শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তাদের সবরে জামিল ইখতেয়ার করার তৌফিক কামনা করেন।
একই দিনে পৃথক বিবৃতিতে আধুনিক কাতারের স্থপতি, সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির ইন্তেকালেও গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। তিনি বলেন, শেখ হামাদের শাসনামলে কাতার অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নতি সাধন করে, যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশটির মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। ১৯৯৫ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করে ২০১৩ সালে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করা শেখ হামাদ জ্বালানিসমৃদ্ধ কাতারকে ধনী রাষ্ট্রে পরিণত করার অন্যতম কারিগর ছিলেন। বর্তমান আমিরের পিতা শেখ হামাদকে আধুনিক কাতারের স্থপতি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জনশক্তি রপ্তানি ও কাতারের সঙ্গে বাংলাদেশের বহুমাত্রিক সম্পর্ক উন্নয়নে তার অবদানের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। চরমোনাই পীর তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকাহত পরিবার ও কাতারবাসীর প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।





