৩১ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হামজা চৌধুরীর জার্সির আকাশচুম্বী চাহিদা, দেড় বছরে বিক্রি ৫ হাজার

প্রকাশ:

কোনো তারকা খেলোয়াড়ের জনপ্রিয়তা মাপার অন্যতম বড় সূচক হলো তার জার্সি বিক্রির পরিমাণ। বাংলাদেশে জাতীয় দলের জার্সি বিক্রির সাম্প্রতিক চিত্র বলছে, ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপের ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডের হয়ে খেলা হামজা চৌধুরীকে ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তিনি বাংলাদেশের জার্সিতে মাঠে নামার পর দেশের ফুটবলে যে নতুন উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে, তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে জার্সি বিক্রিতে। বর্তমানে দেশের ফুটবলারদের মধ্যে হামজা চৌধুরীর নাম ও নম্বর সংবলিত জার্সির চাহিদাই সবচেয়ে বেশি।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কিট স্পন্সর হিসেবে ‘দৌড়’-এর সঙ্গে চুক্তি হয়। দৌড়ের তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে তারা সর্বমোট প্রায় ৩৫ হাজার জাতীয় দলের জার্সি বিক্রি করেছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশেরও বেশি জার্সিতে নির্দিষ্ট খেলোয়াড়ের নাম ও নম্বর যুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন হামজা চৌধুরী। ১ হাজার ৪০০ টাকা মূল্যের অফিশিয়াল জার্সিতে হামজার নাম ও নম্বর যুক্ত করে নিয়েছেন প্রায় ৫ হাজার সমর্থক। বিক্রির দিক থেকে হামজার পরেই রয়েছেন জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এবং প্রবাসী মিডফিল্ডার শমিত সোম।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবিদ আলম চৌধুরী জানান, হামজার আগমনে দেশের ফুটবলে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে এবং জার্সির চাহিদাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগামী নভেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে এই চাহিদা আরও বাড়বে বলে আশা করছে দৌড়। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য, এক বছরে এক লাখ জাতীয় দলের জার্সি বিক্রি করা।

এদিকে, নতুন ডিজাইনের জাতীয় দলের জার্সিও উন্মোচন করেছে দৌড়, যা নিয়ে সমর্থকদের আগ্রহ বেশ ইতিবাচক। এই নতুন জার্সির জন্য ইতোমধ্যে এক হাজারের বেশি অর্ডার পাওয়া গেছে। জার্সির নকশা তৈরিতেও সমর্থকদের অংশগ্রহণ ছিল। বিশ্বজুড়ে থাকা প্রায় ১ হাজার ৩০০ বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমীর পাঠানো ডিজাইন থেকে ৩৪টি উপাদান বেছে নিয়ে চূড়ান্ত নকশা তৈরি করা হয়েছে। হোম জার্সির মূল ভাবনায় রাখা হয়েছে মাতৃভাষা বাংলাকে। বিশেষ প্রযুক্তিতে তৈরি এই জার্সির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এটি পরিধানের পর ঘাম মাত্র আট মিনিটের মধ্যে শুকিয়ে যায়। খেলোয়াড়দের জন্য তৈরি জার্সির দাম ১ হাজার ৬০০ টাকা এবং সমর্থকদের সংস্করণের মূল্য ৭০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন