ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদল নেতা শেখ তানভীর বারী হামিম ডাকসুর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অর্থায়ন নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাত্র ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও ডাকসু ৩৫ কোটি টাকার কাজ করেছে বলে দাবি করছে। এই বিশাল ব্যয়ের উৎসের স্বচ্ছতা নিয়ে তিনি গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
হামিম অভিযোগ করেন, ‘আমার ঘোরতর সন্দেহ হচ্ছে, বহির্বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এতিম-মিসকিন সাজিয়ে জাকাতের টাকা এনে এখানে উন্নয়ন করা হয়েছে কি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘তাদের মাদার অর্গানাইজেশন জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের আগে বলেছিল, তারা নির্বাচিত হলে বহির্বিশ্বের জাকাতের টাকা এনে দেশের মানুষকে সহযোগিতা করবে। আমার মনে হচ্ছে, ডাকসুতে যারা শিবিরের নেতৃবৃন্দ, তারা বহির্বিশ্বের বিভিন্ন আরব দেশের কাছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এতিম-মিসকিন সাজিয়ে সেই জায়গা থেকে টাকা এনে এখানে উন্নয়ন করেছে কি না।’
উন্নয়নকাজের বিস্তারিত উল্লেখ করে ছাত্রদল নেতা হামিম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ঐতিহ্যবাহী মসজিদে উন্নয়ন করা হয়েছে, ডাকসু ভবনের ফ্যান সরিয়ে এসি লাগানো হয়েছে এবং পাঠাগারেও উন্নয়নকাজ চালানো হয়েছে। এসব কাজের জন্য বিভিন্ন কোম্পানির সিএসআর ফান্ড অথবা বিদেশ থেকে যাকাতের অর্থ আনা হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
ঢাবি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শেখ তানভীর বারী হামিম বলেন, ‘আপনারা ডাকসুর নেতৃবৃন্দের কাছে প্রশ্ন করবেন, ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ নিয়ে ৩৫ কোটি টাকা কোথা থেকে পেলেন। তার একটি সোজা হিসাব-নিকাশ আপনাদের দেওয়া উচিত। কারণ এই ফান্ডিং কোথা থেকে আসল, কী সাজিয়ে আমাদেরকে আনল তা জানতে হবে।’





