মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের আগ্রহের বিষয়ে যা জানালো পাকিস্তান

প্রকাশ:

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ইতিবাচক। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, এই চুক্তিতে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে সদস্যদেশগুলো আগ্রহ দেখালে ঢাকা বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে। এর আগে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং শামা ওবায়েদও মক্কা চুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশের ইতিবাচক মনোভাবের কথা জানিয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারের অবস্থান তুলে ধরে বলেন, মক্কা চুক্তি মূলত মুসলিম বিশ্বের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা এবং এটি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তাই এ নিয়ে অন্যদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশকে এই চুক্তিতে যোগ দেওয়ার কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, চুক্তিতে যোগ দেওয়া বা না দেওয়ার বিষয়টি সদস্যদেশগুলোর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করবে। আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাওয়ার আগে চুক্তির ভালো-মন্দ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার সময় এখনো আসেনি।

এদিকে, মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদানের বিষয়ে এবারই প্রথম প্রকাশ্যে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি এ বিষয়ে কথা বলেন। তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ঢাকা মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছে কি না এবং এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের নিরাপত্তা উদ্যোগ কূটনৈতিক অঙ্গনে নেতৃত্ব দিচ্ছে কি না।

জবাবে তাহির আন্দ্রাবি বলেন, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি একটি প্রতিরক্ষামূলক কাঠামো, যার লক্ষ্য শান্তি রক্ষা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। তিনি আরও বলেন, একটি বিকাশমান নিরাপত্তা কাঠামো হিসেবে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি এমন দেশগুলোর জন্য উন্মুক্ত, যারা যৌথ দায়বদ্ধতা এবং অভিন্ন নিরাপত্তা স্বার্থের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। কোনো দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আবেদন করলে তা রিয়াদ ও আঙ্কারার অংশীদারদের সঙ্গে পরামর্শ করে বিবেচনা করা হবে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির কার্যকর বাস্তবায়ন এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

ইসলামাবাদ বলছে, অভিন্ন নিরাপত্তা স্বার্থ ও যৌথ দায়বদ্ধতায় বিশ্বাসী কোনো দেশ চুক্তিতে যোগ দিতে আগ্রহ দেখালে বিষয়টি সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে পরামর্শ করে বিবেচনা করা হবে।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ইসলামাবাদে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আগ্রহের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে

শেয়ার করুন