দক্ষিণ লেবাননের বেশ কয়েকটি শহরে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তীব্র গোলাবর্ষণের খবর পাওয়া গেছে। গত ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার এ সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই সামরিক অভিযানে মারাত্মক বিপজ্জনক ফসফরাস অস্ত্র ব্যবহার করেছে ইসরায়েল। নাবাতিহ জেলার জওতার আল-শারকিয়াহ, মেফাদুন এবং নাবাতিহ আল-ফাওকার আশপাশের এলাকায় এসব গোলার আঘাত আঘাত হানে। বিশেষ করে নাবাতিহ আল-ফাওকায় সরাসরি ফসফরাস শেল ব্যবহার করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে জওতার আল-শারকিয়াহ এলাকায় পুনরায় একই ধরনের অস্ত্রের প্রয়োগ দেখা গেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ-র বরাত দিয়ে আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে টায়ার জেলার ওয়াদি জিবকিন এবং হারিস ও হাদাসার সীমান্ত এলাকাতেও ভারী কামানের গোলা বর্ষণ অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এমন পরিস্থিতিতে লেবানন সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ দল মারজায়ুন ও বিনত জবেইল জেলার মাজদাল সেলম এবং আল-ঘান্দুরিয়াহ এলাকা থেকে দুটি অবিস্ফোরিত বিমান বোমা উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয় করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে।
চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে লেবাননে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪,৩৮৬ জন নিহত এবং ১২,৪০৭ জন আহত হয়েছেন। এই দীর্ঘ সংঘাতের ফলে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, গত জুন মাসে সংঘাতপূর্ণ লেবাননি ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, লেবানন সেনাবাহিনীর অবস্থান নিশ্চিতকরণ এবং হিজবুল্লাহর অস্ত্রসংবরণ নিয়ে একটি সমঝোতা হয়েছিল। তবে সেই সমঝোতা চুক্তি কার্যকর না হওয়ায় দেশটিতে ইসরায়েলি হামলা এখনো অব্যাহত রয়েছে।





