বাংলাদেশে সফররত মার্কিন বিশেষ দূতের ভারতের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করাটা অপ্রত্যাশিত বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার দুপুরে সিলেটে একটি স্থানীয় পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগদানের পর সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।
ওই বৈঠকের বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, এটি কাম্য নয়। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনা হওয়া উচিত দেশের সরকার ও বিরোধী দলের সঙ্গে, অন্য কোনো দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে নয়। এ ছাড়া বিষয়টি সরকার অনুমোদিত কি না, তা নিয়েও তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন।
নির্বাচন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের বিভিন্ন প্রক্রিয়ার বিষয়ে বিরোধী দল উদ্বিগ্ন। সুষ্ঠু নির্বাচনের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন যে, সরকার দলীয় লোকজনকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিচ্ছে। তবে এসব বিষয় মেনে নেওয়া হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
দেশে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি ক্রমাগত বাড়ছে। বিএনপি মহাসচিব ও জাতীয় সংসদের স্পিকারও বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তাই চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধে প্রধানমন্ত্রীকেই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানকে মনে রাখতে হবে তিনি সবার প্রধানমন্ত্রী। তাই ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়া কিংবা ভোট না দেওয়া—সবার কথাকেই গুরুত্ব দিতে হবে। এছাড়া গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে এর পরিণতি ভয়াবহ হবে বলেও তিনি সতর্কবার্তা দেন।





