সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক ব্যক্তির সঙ্গে ঘটনার যোগসূত্র পাওয়ার কথা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। রোববার (৩০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান। তবে তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা অন্য একটি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা নিয়ে কাজ করার সময় কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) পর্যালোচনা করছিল। সেই প্রক্রিয়াতেই সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি সূত্র পাওয়া যায়। আমিনুল ইসলাম বলেন, একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সাগর-রুনির এই ঘটনার কানেকশন পাওয়া গেছে। বর্তমানে তারা সেই তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করছেন এবং ওই ব্যক্তির ওপর নজরদারি রয়েছে। নির্ভরযোগ্য তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর তা মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) হস্তান্তর করা হবে।
তিনি আরও স্পষ্ট করেছেন যে, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড একটি ব্যক্তিগত হত্যা মামলা হিসেবেই গণ্য হবে এবং এর বিচার সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতেই সম্পন্ন হবে। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি খুন হন। ঘটনার পর রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। মামলাটি দীর্ঘ সময় ডিবি ও র্যাব তদন্ত করার পর বর্তমানে পিবিআইয়ের অধীনে রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় একাধিকবার পিছিয়ে সর্বশেষ গত ২৭ আগস্ট আদালত আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন।





