কবি রাবিয়া সাহিন ফুল্লরার কবিতায় নিজের অস্তিত্বের সাথে অন্য কারো উপস্থিতির এক অদ্ভুত ও জটিল মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন ফুটে উঠেছে। কবি অনুভব করছেন, তার শরীরে এখন যেন দুটি হৃদপিণ্ড স্পন্দিত হচ্ছে। তিনি নিজেকে একাকী ভাবতে চাইলেও সেই অন্য সত্তার উপস্থিতি তাকে প্রতিনিয়ত মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, তার শরীরে এখন কেবল তার নিজের অধিকার নেই।
কবিতায় কবির উপলব্ধিতে উঠে এসেছে যে, তিনি যখন আহার করেন তখন অন্য কারো ক্ষুধার তৃপ্তি ঘটে, আবার তিনি যখন হাঁটেন তখন অন্য কারো ঘুমের আয়োজন শুরু হয়। কবির শরীরের প্রতিটি অণু-পরমাণু যেন সেই অজানা সত্তার প্রশান্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি অনুভব করছেন যে, এই অন্য সত্তাটি তার শরীরে দিনে দিনে বড় হয়ে উঠছে এবং একসময় হয়তো এই শরীরে আর কবির নিজের কোনো অস্তিত্বই অবশিষ্ট থাকবে না।





