দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের নতুন জাতীয় বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মঙ্গলবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। শিক্ষামন্ত্রী তার পোস্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাবেন।
এর আগে সোমবার সরকার ‘জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬’ অনুমোদন করে। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছিলেন যে, তখন পর্যন্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে এর পরদিনই শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই নতুন বেতন কাঠামোয় তাদের অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা এলো।
বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে সোয়া ৬ লাখের বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে প্রায় ৩ লাখ ৯৮ হাজার, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে প্রায় পৌনে ২ লাখ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।
সাধারণত এমপিওভুক্তরা সরকারের কাছ থেকে মূল বেতন ও কিছু নির্দিষ্ট ভাতা পেয়ে থাকেন। সম্প্রতি তাদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে সরকার মূল বেতনের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়া ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এর মধ্যে প্রথম ধাপে সাড়ে ৭ শতাংশ বা ন্যূনতম ২ হাজার টাকা গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে এবং বাকি সাড়ে ৭ শতাংশ চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হয়েছে।





