মারুফ কামাল খানের ‘রাজনীতির সদরে-অন্দরে’ বইটি জ্ঞানসমৃদ্ধ ও কালোত্তীর্ণ হবে

প্রকাশ:

সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মারুফ কামাল খানের নতুন বই ‘রাজনীতির সদর-অন্দরে’র মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘সূচীপত্র’-এর উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বইটির বিষয়বস্তু ও অনন্য লিখনশৈলীর কারণে এটি ভবিষ্যতে কালোত্তীর্ণ হবে।

নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত পাঠকদের উদ্দেশ্যে বলেন, লেখকের আর্থিক লাভের চেয়ে নিজেদের জ্ঞান বৃদ্ধি ও চিন্তাশক্তি শাণিত করার লক্ষ্য নিয়ে বইটি পড়া উচিত। তিনি আরও বলেন, এই গ্রন্থটি কেবল সাংবাদিকতার সংকলন নয়, বরং একজন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক কর্মীর সচেতন ভাবনার এক চমৎকার সমন্বয়। বইটিতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের আলোচিত ব্যক্তিদের পাশাপাশি অনেক নিভৃতচারী ও উপেক্ষিত ঐতিহাসিক চরিত্রকে তুলে ধরা হয়েছে, যা নতুন প্রজন্মের জ্ঞান সমৃদ্ধ করতে সহায়ক হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সূচীপত্রের প্রকাশক ও প্রধান নির্বাহী সাঈদ বারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ের প্রেক্ষাপটে এই বইটিকে অত্যন্ত সময়োপযোগী হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, দেশের প্রতিটি লাইব্রেরি, বিশেষ করে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রে বইটি সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে কাজ করার সুবাদে মারুফ কামাল খান অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী। তার স্মৃতিভাণ্ডার থেকে উঠে আসা রাজনৈতিক চরিত্র ও পরিস্থিতির বর্ণনা বইটিকে একটি মূল্যবান দলিলে পরিণত করেছে। বইটি কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে তা পাঠকের গভীর মনোযোগের ওপর নির্ভর করবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমেদ, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাঈদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক ও কবি আবদুল হাই শিকদার, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস এবং জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম। অনুষ্ঠানের শেষে লেখক মারুফ কামাল খান আমন্ত্রিত অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাদের এই মূল্যায়ন তাকে ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু লেখার প্রেরণা জোগাবে বলে জানান।

শেয়ার করুন