বিচারিক আদালতে সাজা ঘোষণার মাধ্যমেই কি ন্যায়বিচারের চূড়ান্ত অধ্যায় শেষ হয়, নাকি চূড়ান্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই কেবল স্বস্তি মেলে? দেশের উচ্চ আদালতে ঝুলে থাকা মামলার জট এই প্রশ্নটিকে দিন দিন আরও জটিল করে তুলছে। বর্তমানে হাইকোর্টে অন্তত এক হাজার ২৩০টি ডেথ রেফারেন্স বা মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন মামলা সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আটকে রয়েছে।
এই দীর্ঘসূত্রতা একদিকে যেমন ভুক্তভোগী স্বজনদের বিচার পাওয়ার দীর্ঘশ্বাস বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে আসামিদের চূড়ান্ত সত্য উন্মোচিত হওয়ার আগেই বছরের পর বছর কনডেম সেলের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দি থাকতে হচ্ছে। এই দুই পরিস্থিতির জাঁতাকলে পড়ে দেশের পুরো বিচার ব্যবস্থা এক ধরনের সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
সম্প্রতি ফেনীর সোনাগাজীর আলোচিত মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া রায়টি দেশের উচ্চ আদালতের এই নির্মম দীর্ঘসূত্রতা ও আইনি জটিলতার চিত্রকে পুনরায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।





