রাজধানীর কয়েকটি বিদেশি দূতাবাসে ই-মেইলের মাধ্যমে হুমকি পাওয়ার ঘটনার পর কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে গুলশান ও বারিধারা এলাকায় অবস্থিত দূতাবাসগুলোর সামনে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) আবু খায়ের জানান, এই ঘটনায় পুলিশের কাছে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। তবে চীনা দূতাবাস কর্তৃপক্ষ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পুলিশ সদর দপ্তরকে বিষয়টি অবহিত করেছে। এরপর পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যার মধ্যে পোশাকধারী ও সাদা পোশাকের উভয় সদস্যই রয়েছেন। এছাড়া টহল ও চেকপোস্টের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে এবং কুইক রেসপন্স টিমগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আবু খায়ের আরও উল্লেখ করেন, কূটনৈতিক এলাকায় সবসময়ই সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বজায় থাকে এবং যেকোনো বার্তা বা ঘটনা পাওয়া গেলে পুলিশের নিয়মিত তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়।
এদিকে রবিবার সকালে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঢাকার তিন থেকে চারটি বিদেশি দূতাবাস এবং কয়েকটি সরকারি দপ্তরে চাঁদা দাবি করে হুমকি দেওয়া হয়েছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং কূটনীতিকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির লক্ষ্যেই এই অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে। জড়িতদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) আবু খায়ের গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান।





