দেশে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে নৌযান শুমারি কার্যক্রম। এই শুমারির মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে সরকারি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। সঠিক ও নির্ভুল তথ্য সংগ্রহের গুরুত্ব তুলে ধরে তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তথ্য সংগ্রহকারীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা। জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপপরিচালক মিনার উদ্দিনের সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলী, জেলা তথ্য কর্মকর্তা নূর হোসেন, মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, পরিসংখ্যান কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নৌযান শুমারিতে মোট ৬০ জন তথ্য সংগ্রহকারী ১০০টি নৌযানের ৫০ ধরনের তথ্য সংগ্রহ করবেন। আগামী ২০ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। শুমারি শুরুর আগে তথ্য সংগ্রহকারীদের তিন দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী নাজমুল হোসেন, সোহেল রানা ও প্রান্ত মিয়ার হাতে পুরস্কারের স্মারক তুলে দেন জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি সচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়, যা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশে প্রথমবারের মতো এই শুমারি করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে কবে নাগাদ আবার এমন উদ্যোগ নেওয়া হবে তা নিশ্চিত নয়। তাই এবারের সংগৃহীত তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই নৌযান খাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারিত হবে। বক্তারা দায়িত্বশীলতার সাথে কোনো তথ্য বাদ না দিয়ে নির্ভুলভাবে কাজ করার জন্য তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রতি আহ্বান জানান।





