বিশ্বকাপের শেষ আট নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আজ স্বাগতিক মেক্সিকোর মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড। ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে থ্রি লায়ন্সদের স্বস্তি এনে দিয়েছেন ইংলিশ মিডফিল্ডার জুড বেলিনহ্যাম। মাত্র ৯৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে জোড়া গোল করে তিনি মেক্সিকোকে হতবাক করে দিয়েছেন।
ম্যাচের শুরুর দিকে মেক্সিকো একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে আধিপত্য বিস্তার করলেও গোল পেতে ব্যর্থ হয়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৩৬ মিনিটে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন বেলিনহ্যাম। গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের কাছ থেকে বল পেয়ে ডেকলান রাইস দ্রুত আক্রমণে ওঠেন এবং ডান প্রান্তে বুকায়ো সাকাকে বল বাড়িয়ে দেন। সাকার নিখুঁত ক্রস হ্যারি কেইনকে ফাঁকি দিয়ে বেলিনহ্যামের কাছে পৌঁছালে তিনি ডাইভিং হেডে গোলটি করেন।
এই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ৩৮ মিনিটে আবারও জ্বলে ওঠেন বেলিনহ্যাম। এবার ডান পায়ের ভেতরের অংশের নিখুঁত শটে তিনি ব্যবধান ২-০ করেন। মাত্র দুই মিনিটে দুই গোল হজম করে মেক্সিকো ব্যাকফুটে চলে যায়। মূলত ম্যাচের প্রথম ৩০ মিনিট মেক্সিকো নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখলেও সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার শাস্তি পেয়েছে তারা।
এর আগে ম্যাচের ১৫ মিনিটে গোল হজমের শঙ্কায় পড়েছিল ইংল্যান্ড। মেক্সিকোর রাউল হিমেনেজের দুর্দান্ত একটি ডাইভিং হেড গোলমুখে যাচ্ছিল, কিন্তু গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড বাম দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বল কর্নারের বিনিময়ে ফিরিয়ে দেন। এই অসাধারণ সেভ নিয়ে ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ওয়েইন রুনি ভূয়সী প্রশংসা করেন। রুনি বলেন, পিকফোর্ডের পজিশনিং এবং টাইমিং ছিল নিখুঁত, যা চাপের মুহূর্তে একজন বিশ্বমানের গোলরক্ষকের পরিচয় দেয়।
ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারানো দল থেকে মেক্সিকো এই ম্যাচে কোনো পরিবর্তন আনেনি। গ্যালার্দো, মন্তেস, ভাস্কেজ ও সানচেজ একাদশে রয়েছেন।





