সিলেটে বাস দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৯, আহত ৩০ জন

প্রকাশ:

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এই দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার কাশিকাপন এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ইউনিক পরিবহন ও বেঙ্গল পরিবহনের দুটি বাসের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই আটজনের মৃত্যু হয়। পরে আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (সিওমেক) নেওয়ার পর আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়, যা মোট নিহতের সংখ্যা নয়জনে উন্নীত করে।

সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওমর রাশেদ মুনির শুক্রবার বিকেল আড়াইটার দিকে জানান, দুর্ঘটনার পর অন্তত ১৩ জন আহত যাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়-সাতজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে, হাসপাতালে আনার পর যে শিশুটি মারা গেছে, তার মাথায় গুরুতর আঘাত ছিল।

ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম ভূঁইয়া জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে দয়ামীর বাজারের পাশের কাশিকাপনে এই সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের তীব্রতায় ইউনিক পরিবহনের বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুই বাসেরই বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন এবং তাদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিহত নয়জনের মধ্যে চারজনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ। পরিচয় পাওয়াদের মধ্যে দু’জন সিলেটের এবং দু’জন কিশোরগঞ্জের বাসিন্দা। তারা হলেন— কিশোরগঞ্জের বাউলশিল্পী পেহেলী ভৈরবী, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর থানার লক্ষীপুর গ্রামের মরহুম সফিক উদ্দিনের ছেলে ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম (৫০), সিলেট নগরীর সোবহানীঘাটের উত্তম রায়ের ছেলে সপ্তম রায় প্রীতম (২২) এবং ঢাকার বিক্রমপুরের জাহাঙ্গীর শেখের শিশুকন্যা জাইফা (৩)। পুলিশ আরও জানিয়েছে, নিহত ও আহতদের সবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী ছিলেন।

শেয়ার করুন