সামনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি জানিয়েছেন, এই নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। বুধবার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, এই বছর না হলেও সামনের বছরের শুরুর দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হবে। নির্বাচনে বিএনপি বা জামায়াতে ইসলামী কোনো ধরনের বাড়তি সুবিধা পাবে না। নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। জনগণের ভালোবাসা অর্জনের মাধ্যমেই জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত হয়ে আসতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আপনারা যে ট্রাস্ট ও ফান্ডের কথা বলেছেন, তা যেন সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব। স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে আপনাদের নিশ্চয়তা দিচ্ছি যে, সঠিক ও ন্যায়ের পথে থেকে আপনাদের উন্নয়নের জন্য আমরা কাজ করে যাব।
বর্তমান সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে। এর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, রেশন কার্ড, ইমাম-পুরোহিত ও মেম্বারদের ভাতা এবং খাল খনন কর্মসূচি অন্যতম। এছাড়া ক্ষমতায় আসার পর প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মাফ করে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে মির্জা ফখরুল বলেন, নারীদের ক্ষমতায়ন এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে হবে। শিক্ষাব্যবস্থাকে উন্নত করতে না পারলে দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়। এছাড়া স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
দেশে বিভাজনের রাজনীতির অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করে জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ধর্মের নাম নিয়ে আমাদের বিভক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে আমাদের মনে রাখতে হবে, অন্য ধর্মকে খাটো করে দেখা যাবে না। ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার—এই নীতিতে আমাদের অবিচল থাকতে হবে।
সরকার নির্বাচনের পূর্বে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে বলে মন্তব্য করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, রেশন কার্ড, ইমাম, পুরোহিত, মেম্বারদের ভাতা, খাল খনন কর্মসূচি—এই কাজগুলো কিন্তু শুরু করেছে সরকার। আর প্রথমবার এসে, প্রথম ক্যাবিনেট মিটিংয়ে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মাফ করে দেয়া হয়েছে





