লেবানন সফরে গিয়ে দেশটির ভূখণ্ডে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর ওপর সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জাসিম আল থানি। বৈরুত সফরকালীন বৈঠকগুলোতে তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, ইসরায়েলের ক্রমাগত উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং লেবাননের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন বর্তমান পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটাচ্ছে। লেবানন সফরকালে অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোর বিষয়ে আল থানি বলেন, ইসরায়েলের ক্রমাগত উত্তেজনা সৃষ্টির বিষয়টি আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
শান্তিরক্ষী বাহিনীর নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা করার সময় কাতারের প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৭০১ নম্বর প্রস্তাব পুরোপুরি বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। আল থানি জানান, শুধুমাত্র এই প্রস্তাব নয়, বরং জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় সম্পাদিত অন্যান্য সকল চুক্তি ও শর্তাবলি কার্যকর করা এখন সময়ের দাবি। তিনি মনে করেন, আন্তর্জাতিক এসব বাধ্যবাধকতা যথাযথভাবে মেনে চললেই কেবল লেবাননের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব। লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৭০১ নম্বর প্রস্তাব বাস্তবায়ন নিয়ে কাতারের এই অবস্থান সামনে এল।
দ্বিপাক্ষিক আলোচনার বিষয়ে আল থানি জানান, কাতার ও লেবাননের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার নতুন পথ প্রশস্ত হয়েছে। বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সংকটের পাশাপাশি লেবাননের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে কাতার সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। সংকট উত্তরণে দুই দেশের মধ্যে ভবিষ্যতের সহযোগিতার সম্ভাব্য বিভিন্ন দিক নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন। একই সঙ্গে বৈঠকে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতিও আলোচনায় এসেছে।





