১৪ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গরমের ফ্যাশনে কেন জনপ্রিয় সুতি শার্ট

প্রকাশ:

ফ্যাশন দুনিয়ায় একসময় সিল্ক বা সাটিনের মতো জমকালো কাপড়ের শার্টের প্রাধান্য থাকলেও বর্তমানে সেই চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে। তাপমাত্রার পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে আরামদায়ক ও দৈনন্দিন ব্যবহারের উপযোগী পোশাকের দিকে ঝুঁকছেন ক্রেতারা। ফলে সুতির তৈরি শার্ট এখন ফ্যাশন সচেতন মানুষের কাছে এক অপরিহার্য পছন্দ হয়ে উঠেছে। সেই জায়গায় সুতির শার্টও পাচ্ছে বাড়তি গুরুত্ব।

পোশাকের ব্র্যান্ড অম্বরের স্বত্বাধিকারী শ্রাবণী রায় জানান, গরমের তীব্রতায় ক্রেতারা আরামকে সবকিছুর উপরে জায়গা দিচ্ছেন, যা সুতির শার্টের চাহিদা বৃদ্ধির মূল কারণ। সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের কথা মাথায় রেখে তাদের ব্র্যান্ডে সুতির শার্টের দাম ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে রাখা হয়েছে। একই মত প্রকাশ করে ভার্গো ব্র্যান্ডের সিনিয়র ম্যানেজার বিদ্যুৎ চন্দ্র দাস বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভবিষ্যতে আরামদায়ক ও মসৃণ কাপড়ের পোশাকের চাহিদা আরও বাড়বে। তাই সবার সাধ্যের মধ্যে রাখার লক্ষ্যেই শার্টের দাম ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে।’।

গরমের দেশে স্বস্তির বিষয়টি মাথায় রেখে নকশা ও রঙের ক্ষেত্রেও আনা হয়েছে কোমলতার ছোঁয়া। এখনকার পোশাকে হালকা রঙের ব্যবহারের পাশাপাশি ফুলেল, জ্যামিতিক এবং অ্যাবস্ট্রাক্ট মোটিফের নকশা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এসব নকশা ও রঙ পরিহিত ব্যক্তির সাজে একধরনের স্নিগ্ধ আবহ তৈরি করে, যা গরমে অনেকটা স্বস্তি দেয়।

শার্টের ব্যবহারের ক্ষেত্র অনুযায়ীও বৈচিত্র্য দেখা যাচ্ছে। ফরমাল সাজের জন্য ছোট বা বড় চেক এবং ক্যাজুয়াল লুকের জন্য প্রিন্টের শার্টগুলো বেছে নিচ্ছেন ক্রেতারা। বিশেষ করে চেকের নকশাগুলো এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে, যাতে যে কোনো গড়নের মানুষ তা সহজে ও স্বাচ্ছন্দ্যে পরতে পারেন। সব মিলিয়ে ফ্যাশন বাজারে সিল্ক বা সাটিনের আধিপত্যের পাশাপাশি সুতির শার্টের শক্তিশালী অবস্থান এখন স্পষ্ট।

শেয়ার করুন