নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্থানীয় সরকার নির্বাচনের যে সময়সূচি ঘোষণা করেছে, তা কেবলই একটি সম্ভাব্য পরিকল্পনা। এটি কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয় বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ঢাকা শহরের মেগা প্রকল্পের কারণে সৃষ্ট যানজট নিরসন বিষয়ক এক সভায় সভাপতিত্ব শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আগামী ১২ নভেম্বর থেকে ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে ইসির সাম্প্রতিক পরিকল্পনার দিকে ইঙ্গিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কমিশন যে সময়সূচি উপস্থাপন করেছে, সেখানে তারা এটিকে স্পষ্টভাবেই ‘সম্ভাব্য’ বা ‘টেন্টেটিভ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। গণমাধ্যমে বিষয়টি এমনভাবে এসেছে যেন কমিশন নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করেছে, অথচ এটি কেবল একটি খসড়া পরিকল্পনা।
নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব ও এখতিয়ার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, সংবিধান অনুযায়ী ইসির প্রধান দুটি দায়িত্ব হলো জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করা। এর বাইরে আইনে প্রদত্ত অন্যান্য নির্বাচন-সংক্রান্ত দায়িত্বও তারা পালন করে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী পরিচালিত হয় এবং এর জন্য সরকারের সাথে নির্বাচন কমিশনের সমন্বয় করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, আইনের মধ্যে এমন কোনো সুযোগ নেই যে সরকারের সাথে আলাপ-আলোচনা না করেই কমিশন এ বিষয়ে কাজ করতে পারে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সম্ভবত ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আহ্বান করেছে। সেই সভায় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা অংশ নেবেন। তিনি বলেন, ওই সভার পর সচিবরা যে মতামত দেবেন, তার আলোকেই নির্বাচন কমিশন তাদের সম্ভাব্য তফসিল সাজাবে। তাই এর আগে ইসি যে পরিকল্পনার কথা বলেছে, তা চূড়ান্ত হিসেবে দেখার কোনো অবকাশ নেই।





