সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ১ মিলিয়ন ফলোয়ারের মাইলফলক ছুঁলেন ওবায়দুল্লাহ তারেক

প্রকাশ:

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩: ০১। সংগীত, সাহিত্য, শিক্ষা, সাংবাদিকতা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয় বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ওবায়দুল্লাহ তারেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ১০ লাখ বা ১ মিলিয়ন ফলোয়ারের মাইলফলক অর্জন করেছেন। তার এই দীর্ঘ সাংস্কৃতিক যাত্রায় গান, সৃজনশীল কর্ম, সাংস্কৃতিক ভাবনা এবং বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি শ্রোতা ও দর্শকদের কাছে এক স্বতন্ত্র গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ১০ লাখ মানুষের এই অংশগ্রহণ তার জনপ্রিয়তারই একটি উল্লেখযোগ্য প্রতিফলন।

ওবায়দুল্লাহ তারেকের সাংস্কৃতিক জীবনের সূচনা হয় শৈশব থেকেই। পাবনা জেলার আতাইকুলা থানার মধুপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করা এই শিল্পী ছোটবেলা থেকেই সংগীত ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে ইসলামী সংগীতচর্চার পাশাপাশি তিনি গীতিকার, সুরকার, শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

তার কণ্ঠে গাওয়া ‘তুমি আসমানে থাকো প্রভু, আমি জমিনে’, ‘বাবা তুমি কেমন আছো ছোট্ট মাটির ঘরে’, ‘মাওলা তোমারও লাগিয়া কাঁদে আমার প্রাণ’, ‘বাজান আমার ঔষধ শেষ’, ‘দে দে পাল তুলে দে’ এবং ‘নির্ঘুম এ রাত জেগে আছে চাঁদ’-এর মতো গানগুলো শ্রোতাদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সংগীতের পাশাপাশি তিনি ২০১২ সাল থেকে বিভিন্ন স্যাটেলাইট টেলিভিশনের সংগীতভিত্তিক রিয়েলিটি শোতে বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া বিভিন্ন টেলিভিশনের টাইটেল সং-এর গীতিকার, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন।

সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তার বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। তিনি ‘সৃজন সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংসদ’-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক। এছাড়া চন্দ্রালোক মিডিয়া কর্পোরেশন, ক্লাসিক ওয়ার্ল্ড সঙ্গীত একাডেমি এবং ইলহাম ইসলামিক স্কুল প্রতিষ্ঠার সঙ্গেও তিনি যুক্ত রয়েছেন।

শিক্ষাজীবনেও ওবায়দুল্লাহ তারেক বেশ সফল। সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর তিনি সাংবাদিকতায় উচ্চতর শিক্ষা নেন। কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ডিগ্রি অর্জনের পর বর্তমানে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক হিসেবে গবেষণাকর্মে নিয়োজিত রয়েছেন।

শেয়ার করুন