৫ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুবলীগ নেতার শুভেচ্ছা: গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে শোকজ

প্রকাশ:

গাইবান্ধায় সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলোকে ফুলছড়ি উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কঞ্চিপাড়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ এটিএম রাশেদুজ্জামান রোকন ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। ওই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী টিটুল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এই ঘটনার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা এবং দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।

তৃণমূলের ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা জানান, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা ও নানা রাজনৈতিক হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ ওঠে, সব জেনেও ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে জেলা বিএনপির কিছু দায়িত্বশীল নেতা ওই যুবলীগ নেতাকে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্যের কাছে নিয়ে যান এবং তাঁর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর সুযোগ করে দেন।

বিতর্কিত এই কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী টিটুলের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোসহ প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক পদক্ষেপ নিতে জেলা বিএনপির সভাপতিকে চিঠি পাঠিয়েছেন সংসদ সদস্য মমতাজ আলো। এক ভিডিও বার্তা ও মুঠোফোনে তিনি জানান, স্থানীয় বিএনপি নেতারা তাঁকে বিষয়টি আগে জানাননি এবং তিনি গাইবান্ধার কাউকে চেনেন না। ফলে এর দায়ভার জেলা বিএনপির ওপরই বর্তায় বলে উল্লেখ করে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেন। এ ব্যাপারে আমারদেশ অনলাইন পত্রিকায় আজ একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. ময়নুল হাসান সাদিক সংসদ সদস্য মমতাজ আলোর পাঠানো চিঠিটি হাতে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী টিটুল জানান, জেলা সভাপতির কাছে চিঠি পাঠানোর খবরটি তিনি শুনেছেন, তবে এ বিষয়ে তিনি নিজে এখনো কোনো চিঠি পাননি। এ বিষয়ে আমি জেলা বিএনপিকে আজকেই একটি চিঠি দিচ্ছি।”।

শেয়ার করুন