সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের ৩৪ হাজার ৫০০টি শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা বিদ্যালয়ে যোগ দিয়েছেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) পুরান ঢাকার দুটি বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, প্রধান শিক্ষকের এসব পদে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন হলে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও নেতৃত্বের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে সম্পন্ন করার জন্য আলোচনা করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বিদ্যমান নিয়োগবিধি অনুযায়ী অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষকদের পদোন্নতির প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে ঝুলে থাকা আইনি জটিলতা আদালতের রায়ে নিরসন হয়েছে, যার ফলে ৩৬ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষকের প্রধান শিক্ষক হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি ১৪ হাজার ৩৮৪ জন নতুন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে এবং তারা বিদ্যালয়ের কার্যক্রমে যোগদান করেছেন। তখন আবার বড় পরিসরে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া সম্ভব হবে। ৭৫ বছর ছাঁটাই ছাড়াই চলছে কোম্পানিটি; পরিচালনা পদ্ধতি দেখতে ভিড় সিইওদের।
নিয়োগ ও প্রশাসনিক তথ্য
- নিয়োগের পদ: প্রধান শিক্ষক (দশম গ্রেড)।
- নিয়োগ প্রক্রিয়া: পিএসসির মাধ্যমে পরীক্ষা গ্রহণ।
- পদোন্নতির প্রভাব: সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি পেলে তাদের পুরোনো পদগুলো শূন্য হবে।
- ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি সম্পন্ন হওয়ার পর সহকারী শিক্ষক পদে নতুন করে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সুযোগ তৈরি হবে।
শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই নিয়োগ ও পদোন্নতির সমন্বিত প্রক্রিয়া শেষ হলে বিপুল সংখ্যক সহকারী শিক্ষকের পদ ফাঁকা হবে। এতে নতুন প্রার্থীদের জন্য শিক্ষকতায় প্রবেশের বড় সুযোগ তৈরি হবে। প্রতিমন্ত্রী অভিজ্ঞ শিক্ষকদের গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন।
চাকরির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- কর্মক্ষেত্রে বেশি মানসিক চাপে থাকেন ইউরোপের যে ১০ দেশের কর্মীরা।
- কোটি টাকার ফেলোশিপ-বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডির সুযোগ পেলেন আশফাকুর রহমান।





