ভারতের রাজধানী দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে আবারও আটক হয়েছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরা। রবিবার (১১ অক্টোবর) দিল্লির বিজয় চক থেকে যন্তরমন্তরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। এর আগের দিন শনিবারও আন্দোলন করার সময় তাকে একবার আটক করা হয়েছিল। কেবল জ্ঞানেশ কুমারকে রক্ষা করার জন্য কেন এত সহিংসতা। একই সঙ্গে শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আজ স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (এসএফআই), আইসা এবং ক্রান্তিকারী যুব সংগঠনের (কেওয়াইএস) আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা যোগ দিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর আগে গতকাল শনিবার আন্দোলন চলকালীনও নেহা বোরাকে আটক করেছিল পুলিশ।
আটক হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও বার্তায় নেহা বোরা পুলিশের আচরণের কঠোর সমালোচনা করেন। ভিডিওতে তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের অতি ছোট ও সংকুচিত একটি বিশেষ প্রিজন ভ্যানে বন্দি করে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ তোলেন যে, পুলিশ সদস্যরা পুরুষ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং গালাগালি করেছে। নেহা বোরার এই ভিডিও বার্তাটি বর্তমানে বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বাসটিকে চার ভাগে ভাগ করে ছোট ছোট চারটা প্রকোষ্ঠ বা সেল বানানো হয়েছে।
রবিবার দিল্লি পুলিশের এই ধরপাকড় অভিযানে শতাধিক আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশি এই অভিযানের তালিকায় রয়েছেন সিপিআই (এম) দলের রাজ্যসভার সংসদ সদস্য জন ব্রিটাসও। নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আয়োজিত এই বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, আটককৃতদের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। আজ দিল্লির বিভিন্ন স্থান থেকে ১০০ জনেরও বেশি আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছে। যেখানে শ্বাস নেওয়ার মতো ন্যূনতম কোনো পরিবেশ নেই। সিআরপিএফ সদস্য কি দেশের সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে।





